নিজস্ব প্রতিনিধি, কুলতলি : অকালেই থেমে গেল এক খুদে ইউটিউবারের স্বপ্ন। ফেসবুকে বাবার সঙ্গে ভিডিয়ো বানিয়ে এলাকার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল বছর দশেকের পল্লব নস্কর। কিন্তু হঠাৎ চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে জীবন শেষ করে দিল চতুর্থ শ্রেণির এই ছাত্র। সোমবার সন্ধ্যায় কুলতলি থানার ২ নম্বর জালাবেড়িয়া এলাকায় ঘটে এই মর্মান্তিক ঘটনা। এদিন সকালবেলা প্রতিদিনের মতোই স্কুলে গিয়েছিল পল্লব। বিকেলে সময় মতোই বাড়ি ফেরে। মায়ের কাছে খাবার চেয়ে নিয়ে খেলতে শুরু করে একা একাই। মা তখন পাশের কাকার বাড়িতে রান্নার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। খেলার ছলে কাকার সাত বছরের মেয়ে আসে তার সঙ্গ দিতে। হঠাৎ রান্নাঘরে ঢুকে চোখের সামনে ভয়াবহ দৃশ্য দেখে চমকে ওঠে ছোট্ট মেয়েটি—বাঁশের আড়ায় দড়ি দিয়ে ঝুলছে পল্লবের দেহ। তার চিৎকার শুনে ছুটে আসেন মা-কাকিমারা। দ্রুত ছেলেকে নামিয়ে জয়নগর-কুলতলি ব্লক গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা জানান, আগেই মৃত্যু হয়েছে শিশুটির।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, হাসিখুশি স্বভাবের জন্য এলাকাজুড়ে জনপ্রিয় ছিল পল্লব। বাবার সঙ্গে মিলেই তৈরি করত ছোট ছোট বিনোদনমূলক ভিডিয়ো, যা নিয়মিত আপলোড হতো সোশ্যাল মিডিয়ায়। তার নিজস্ব একটি ফেসবুক পেজে রয়েছে প্রায় ১৯ হাজার ফলোয়ার। খেলার ছলেই এই কাজ করলেও এতটা খ্যাতি পেয়েছিল সে। হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত নিল, তার কোনও ব্যাখ্যা দিতে পারছেন না পরিবার বা প্রতিবেশীরা। আর এই ঘটনার খবর পেয়ে কুলতলি থানার পুলিশ দেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু হয়েছে। আজ, মঙ্গলবার দেহ পাঠানো হবে ময়নাতদন্তে ।
পুলিশের দাবি, মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।আর পল্লবের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা। সকলেরই এক প্রশ্ন—সবাইকে হাসি আর বিনোদন দেওয়া ছোট্ট ছেলেটি কেন এমন চরম সিদ্ধান্ত নিল? উত্তরহীন রয়ে গেল সেই প্রশ্ন ।
পুলিশের দাবি, মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।আর পল্লবের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা। সকলেরই এক প্রশ্ন—সবাইকে হাসি আর বিনোদন দেওয়া ছোট্ট ছেলেটি কেন এমন চরম সিদ্ধান্ত নিল? উত্তরহীন রয়ে গেল সেই প্রশ্ন ।