ঘটনার পর থেকেই পরিবারগুলির মধ্যে নেমে আসে চরম উৎকণ্ঠা। দিনের পর দিন খাওয়া-দাওয়া ভুলে প্রিয়জনদের দেশে ফেরানোর আশায় প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে থাকেন তাঁদের পরিবারের সদস্যরা। ঠিক সেই সময়েই ত্রাণকর্তার মতো পাশে দাঁড়ান কুলতলীর তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক গণেশ চন্দ্র মণ্ডল।
সমস্ত ঘটনা জানার পরই বিধায়ক নিজে উদ্যোগ নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় কূটনৈতিক প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নিয়ে গিয়ে ২৭ জানুয়ারি বাংলাদেশে আটক থাকা ১৪ জন মৎস্যজীবীকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়। বাড়ি ফেরার পর প্রথমেই ওই মৎস্যজীবীরা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা কুলতলীর বিধায়ক গণেশ চন্দ্র মণ্ডলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে কৃতজ্ঞতা জানান। এদিন বিধায়কের হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দিয়ে তাঁরা তাঁদের আবেগ ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
এই প্রসঙ্গে বিধায়ক গণেশ চন্দ্র মণ্ডল বলেন,“আমার মৎস্যজীবী ভাইদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে পেরে খুব ভালো লাগছে। তবে এই সাফল্যের সম্পূর্ণ কৃতিত্ব মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও আমাদের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁদের দিকনির্দেশ ছাড়া এই কাজ সম্ভব হতো না। মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের দায়িত্ব, সেই অঙ্গীকার নিয়েই আমরা কাজ করে চলেছি।”



