নন্দন-৩ প্রেক্ষাগৃহে সফলভাবে শেষ হল ১২ ও ১৩ তম সুতানুটি শর্ট ফিল্ম উৎসব সেরা জুড়ি সম্মানে ভূষিত ‘সবুজ দ্বীপের পাঠশালা’।
নিজস্ব প্রতিনিধি | বৃহস্পতিবার কলকাতার নন্দন-৩ প্রেক্ষাগৃহে সফলভাবে সমাপ্ত হল ১২ ও ১৩ তম সুতানুটি শর্ট ফিল্ম উৎসব। ছয় দিনব্যাপী এই চলচ্চিত্র উৎসবে দেশ-বিদেশের মোট ৯৯টি স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র অংশগ্রহণ করে। স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র, তথ্যচিত্র এবং ফিউচার ফিল্ম—এই তিনটি বিভাগে প্রদর্শিত ছবিগুলি দর্শক ও বিচারকদের বিশেষভাবে মুগ্ধ করে।
এবছরের উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল সুন্দরবনের জল, জঙ্গল ও মানুষের জীবনসংগ্রামকে কেন্দ্র করে নির্মিত পাল ফিল্ম প্রোডাকশন নিবেদিত ভারতীয় স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র ‘সবুজ দ্বীপের পাঠশালা’। এই চলচ্চিত্রটি উৎসবে সেরা জুরি সম্মান অর্জন করে সুন্দরবনের কণ্ঠস্বরকে জাতীয় মঞ্চে তুলে ধরার স্বীকৃতি পেল।
‘সবুজ দ্বীপের পাঠশালা’ চলচ্চিত্রটির কাহিনি, চিত্রনাট্য, সংলাপ ও পরিচালনায় ছিলেন বিশ্বজিৎ পাল। সংগীত পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন সত্যজিৎ পাল। শিশু শিল্পী সর্বজিৎ পাল এবং জীবিকা সূতারের স্বতঃস্ফূর্ত ও প্রাণবন্ত অভিনয় দর্শকদের আবেগে নাড়া দেয়। সুন্দরবনের প্রান্তিক মানুষের জীবনযাত্রা, প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই এবং শিক্ষার গুরুত্ব—এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে নির্মিত ছবিটি উৎসবে আলাদা মাত্রা যোগ করে।
এদিন উৎসবে বিভিন্ন বিভাগে একাধিক চলচ্চিত্রকে সম্মানিত করা হয়। বেস্ট ডকুমেন্টারি ফিল্ম হিসেবে পুরস্কৃত হয় ‘চাপলিন – দ্য লাস্ট সলিটারি জার্নি’, যার পরিচালক আবির মজুমদার। এই তথ্যচিত্রটি চার্লি চাপলিনের জীবন ও শিল্পভাবনাকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে তুলে ধরায় বিচারকদের প্রশংসা কুড়ায়।শর্ট ফিল্ম ‘শব্দ কল্প প্রেম’-এর জন্য সেরা পরিচালক হিসেবে সম্মানিত হন স্নেহা সরকার। ‘আগন্তুক’ শর্ট ফিল্মের জন্য সেরা সম্পাদনার পুরস্কার লাভ করেন সুমন্ত ঘোষ।
বিজ্ঞাপন





