সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জের ! গুরুতর জখম ২
নুরসেলিম লস্কর,ক্যানিং : সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিবাদের জের। গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে ভাগ্নে ও মামী। স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে,শনিবার সকালে ক্যানিং থানার অন্তর্গত গোপালপুর পঞ্চায়েতের বদুকুলা গ্রামের বাসিন্দা গৌর চন্দ্র হালদার ও একই থানা এলাকার ইটখোলা পঞ্চায়েতের গোলাবাড়ির মধুখালি গ্রামের বাসিন্দা তার ভাগ্নে রবিবাম হালদারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মাত্র দু-শতক সম্পত্তি নিয়ে মামা-ভাগ্নের লড়াই চলছিল । আর এদিন সকালে মধুখালি গ্রাম থেকে বদুকুলা গ্রামে হাজীর হয় ভাগ্নে রবিরাম ও তার ছেলে সূবর্ণ হালদার। আর সেখানে হাজীর হলে মামা গৌর চন্দ্র হালদারের স্ত্রীর সাথে সম্পত্তি নিয়ে ঝগড়া শুরু হয় তাদের। অভিযোগ, আচমকা রবিবাম তার মামী পারুল হালদারের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বেধড়ক মারধর করে কাপড় ছিঁড়ে দেয়। এমনকি তার পেটেও লাথি মারে।
অন্যদিকে, শাবলের আঘাতে মাথা ফাটে ভাগ্নে রবিরামের বলেও অভিযোগ! স্থানীয়রা জখমদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে উভয় পক্ষই। আর এই ঘটনার উভয় পক্ষই ক্যানিং থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।
আর এই ঘটনা প্রসঙ্গে আক্রান্ত পারুল হালদার জানিয়েছে, ‘ভাগ্না রবিরাম হালদার জোর করে আমাদের দুশতক সম্পত্তি দখল করার চেষ্টা করে। বাধা দিতেই আমাকে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর করে কাপড় ছিঁড়ে দেয়। আমার পেটে দুটো অপারেশান হয়েছিল। মাটিতে ফেলে সেখানে একাধিকবার লাথি মারে।’
পারুলের স্বামী গৌর জানিয়েছে, ‘রবিবাম প্রতিনিয়ত জায়গা দখল করার জন্য ঝগড়া করতো। শনিবার সকালে এসে জায়গা দখল করার চেষ্টা করে। বাধা দিতেই আমার স্ত্রীকে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর করে শ্লীলতাহানি করে। আবার নিজের দোষ ঢাকার জন্য নিজেই মাথা ফাটিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে দোষারোপ করছে। থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। ’ আর অন্যদিকে রবিরাম জানিয়েছে ,মামা আমার সম্পত্তি দখল করে রেখেছে । সেই নিয়ে কথা বলতে গেলে মামা আমার মাথায় শাবল দিয়ে মারে। মাথা ফেটে যায়। ওরা চক্রান্ত করে মিথ্যা কথা বলছে। ঘটনার বিষয়ে ক্যানিং থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।’ আর অভিযোগ পেয়ে ক্যানিং থানার পুলিশ উভয় পক্ষের অভিযোগ খতিয়ে দেখে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।



