সিসিটিভির সূত্রে বাইক চুরি চক্রের পর্দাফাঁস, গ্রেফতার দুই ।

সিসিটিভির সূত্রে বাইক চুরি চক্রের পর্দাফাঁস, গ্রেফতার দুই ।

নুরসেলিম লস্কর, বারুইপুর :
সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজের সূত্র ধরেই বিশাল বাইক চুরির একটি সক্রিয় চক্রের পর্দাফাঁস করল বারুইপুর থানার পুলিশ। সেই সঙ্গে পিয়ালী এলাকা থেকে অয়ন মণ্ডল ও সৌমেন মণ্ডল নামে দুই অভিযুক্ত কে গ্রেফতারও করা হয়েছে। ধৃতদের জেরা করে উদ্ধার হয়েছে চুরি যাওয়া বাইক সহ আরও দুটি চোরাই মোটরবাইক।
 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২১ জানুয়ারি উত্তরভাগ এলাকা থেকে একটি মোটরবাইক চুরির অভিযোগ দায়ের হয় বারুইপুর থানায়। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে। সেই ফুটেজ বিশ্লেষণ করেই অভিযুক্তদের গতিবিধি চিহ্নিত করা সম্ভব হয়। এরপর একাধিক জায়গায় নজরদারি চালিয়ে অবশেষে পিয়ালী এলাকা থেকে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।
 

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, ধৃতরা সুন্দরবন কোস্টাল এলাকার বাসিন্দা হলেও বারুইপুর থানার পিয়ালী এলাকায় ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। সেই ভাড়া বাড়িকেই ঘাঁটি করে দীর্ঘদিন ধরে বাইক চুরির চক্র চালাচ্ছিলেন তারা। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সুযোগ বুঝে বাইক চুরি করাই ছিল তাদের মূল কাজ। পরে সেই বাইকগুলি কম দামে সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকায় বিক্রি করে দেওয়া হত। পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রে একজন সরাসরি বাইক চুরির কাজ করত, অন্যজন আশপাশের এলাকায় নজরদারির দায়িত্ব সামলাত, যাতে কোনও বিপদের আভাস পেলেই দ্রুত পালিয়ে যাওয়া যায়। ধৃতদের জেরা করেই উদ্ধার করা হয়েছে তিনটি চোরাই মোটরবাইক।
 

এবিষয়ে পুলিশ সূত্রে জানাগিয়েছে, ধৃত দু’জনকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, শুধু বারুইপুর নয়, দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক থানার এলাকায় এই চক্র সক্রিয় ছিল। ধৃতদের জেরা করে আরও কোনও সহযোগীর নাম সামনে আসে কি না এবং আরও চোরাই বাইক উদ্ধার করা যায় কি না, সে দিকেও নজর রয়েছে পুলিশের।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন